জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পরিচালিত মাস্টার্স শেষ পর্বে অংশগ্রহণকারীদের ঞবৎস চধঢ়বৎ বিয়ষটি

 

মুখবন্ধ

জাতীয়
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পরিচালিত মাস্টার্স শেষ পর্বে অংশগ্রহণকারীদের ঞবৎস চধঢ়বৎ
বিয়ষটি অত্মর্ভূক্ত করে শিঙ্গার্থীদের সঠিক পদ্ধতিতে ঞবৎস চধঢ়বৎ (পর্বপত্র)
লেখার যােগ্যতা অর্জনে নিঃসন্দেহে সহায়তা করেছে
| এর জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্সের
কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি
|

| বিষয়গত জ্ঞান
চর্চার পাশাপাশি কোন বিষয়ের উন্মুক্ত আলােচনার দঙ্গতা ও শিঙ্গ ব্যবস্থাপনা
সম্পর্কে জ্ঞান লাভের প্রয়ােজনীয়তা শিল্পকতা পেশায় নিয়ােজিত ব্যক্তিদের জন্য
অত্যাবশ্যক
| পর্বপত্র প্রণয়ন
সংকীর্ণ অর্থে হলেও একটি গবেষণা কর্ম
| ঞবৎস চধঢ়বৎ (পর্বপত্র) প্রনয়নে আমার বিষয় ছিল“স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার
প্রয়ােজনীয়তা উলেস্নখপূর্বক এঙ্গেত্রে

প্রতিবন্ধকতাসমূহ
বাংলাদেশের প্ৰেঙ্গিতে পর্যালােচনা কর।

উপযুক্ত বিষয়টি
সীমিত পরিসরে হলেও একটি বাত্মবানুগ চিত্র উপস্থাপনের চেষ্টা করেছি
| ঞবৎস চধঢ়বৎ (পর্বপত্র)

তত্ত্বাবধায়ক
জনাব সুলতানা নাজমীন ম্যাডামের হাতে যথাসময়ে

তুলে দিতে পেরে
নিজেকে অত্যত্ম কৃতজ্ঞ মনে করছি
|

কৃতজ্ঞতা প্রকাশ



go to my website so more jobs apply my site.


জাতীয়
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রবর্তিত পৰ্বপত্র প্রণয়ন আবশ্যিক করে শিার্থীদের সঠিক
পদ্ধতিতে গবেষণা পত্র লেখার
, গবেষণা কর্ম
পরিচালনার যােগ্যতা অর্জনে নিঃসন্দেহে সহায়তা করেছে
| এজন্য জাতীয় বিশ্ব বিদ্যালয় কর্তৃপড়াের কাছে
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি
|

পর্বপত্র
প্রণয়নের জেত্রে সার্বিক তত্ত্বাবধান ও সার্বিক দিক

নির্দেশনামূলক
আলােচনার আয়ােজন করার জন্য সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কাছে
আত্মরিক

কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন
করছি
|

পর্বপত্র
প্রণয়নে সবদিক দিয়ে সহযােগিতা প্রদান ও দিক নির্দেশনার জন্য তত্ত্বাবধায়ক জনাব
সুলতানা নাজমীন

ম্যাডামকে জানাই
আমার আত্মরিক কৃতজ্ঞতা
|

পর্বপত্রটি
প্রণয়নের জন্য সহায়ক বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত ও গ্রন্থ

সরবরাহ করে
সহায়তা করার জন্য দেবেন্দ্র কলেজের লাইব্রেরি ও

রাষ্ট্রবিজ্ঞান
বিভাগের সেমিনারের কর্মচারীগণকে জানাই

আত্মরিক ধন্যবাদ|

সারমর্ম

বিশ্বের সকল
রাষ্ট্রই তার নিজস্ব সামাজিক ও অর্থনৈতিক

কর্মসূচি প্রণয়ন
ও বাত্মবায়ন করার দায়িত্ব পালন করে থাকে
| এ দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে প্রত্যেক
রাষ্ট্রেই নির্দিষ্ট প্রশাসনিক

কাঠামাে রয়েছে
বাংলাদেশের সরকারের প্রশাসন কাঠামাের

দুটি প্রধান ভাগ
হচ্ছে যথাক্রমে সচিবালয় ও বিভাগীয় কমিশন
|

উন্নয়শীল ও
উন্নত রাষ্ট্রসমূহের মতাে বাংলাদেশে প্রশাসনিক

কার্যাদি
নির্বাহের জন্য একদল সুদঙ্গ
, অভিজ্ঞতাসম্পন্ন
বেতনভােগী ও পেশাদার কর্মবিভাগ গড়ে উঠেছে
| বস্তুত এরাই

প্রশাসন
ব্যবস্থার প্রাণকেন্দ্র
|

বাংলাদেশ সরকারের
প্রশাসনিক যন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে। সচিবালয়
| সচিবালয়েই প্রশাসনিক কর্মধারার মূলনীতিগুলাে
প্রাথমিক পর্যায়ে স্থির করা হয় এবং এসব মূলনীতি নিয়ে

আলাপ-আলােচনা করা
হয়
| পরিশেষে সকল প্রণীত ও
সুপারিশগুলাে সচিবালয় কর্তৃক চূড়াত্মভাবে গৃহীত হয়
| সর্বোপরি এই সকল গৃহীত নীতিমালা ও
কর্মসূচিগুলাে

বাত্মবায়নের
জন্য সংশিস্নষ্ট বিভাগীয় প্রধানদের কাছে

নির্দেশক্রমে
পাঠানাে হয়
|

সূচীপত্র

ক্রমিক

বিষয়

.

तर

মুখবন্ধ

n

কৃতজ্ঞতা স্বীকার

| 9

সারমর্ম

| ০০

সূচীপত্র

ভূমিকা

বাংলাদেশের
প্রশাসনব্যবস্থা

স্বচ্ছতা ও
জবাবদিহিতা

| b

প্রশাসনিক
স্বচ্ছতা কাকে বলে

| e

প্রশাসনিক
জবাবদিহিতা কী

 

Leave a Comment