পর্যবেঙ্গণের ব্যবস্থা গ্রহণ: প্রশাসনে স্বচ্ছতা

 করতে হবে| গােপনীয়তার ফলে দা-রিক কর্মকারে ব্যাপারে তথ্যবিকৃতি, অপপ্রচার, অপচেষ্টা ও জনমনে বিভ্রাত্মি সৃষ্টি হতে পারে|

১০. পর্যবেঙ্গণের ব্যবস্থা গ্রহণ: প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও

জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের লক্স্যে পর্যবেণ ও মনিটরিং

অবশ্যই প্রয়ােজন| নির্দিষ্ট কর্মকর্তা পর্যায়ে কর্ম সম্পদনের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা গুণগত মান যাচাই এবং নির্দিষ্টসময়ে কর্মসম্পাদনের পরিমাণগত দিক বিবেচনার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্সের নিবিড় পর্যবেণ ও মনিটরিং

এর ব্যবস্থা করতে হবে|

উপসংহার

পরিশেষে বলা যায়, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা একটি দেশের কার্যকর প্রশাসনব্যবস্থা গড়ে তােলার জেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে| স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা রাষ্ট্রীয় উন্নয়নের ঙ্গেত্রে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করতে পারে| পরিবর্তনশীল বিশ্বে বর্তমান বিশ্বের নাগরিক চাহিদা পূরণের জন্য প্রশাসনের “চিরাচরিত” নেতিবাচক ভূমিকার পরিবর্তন

করতে হবে| এর জন্য দেশের প্রয়ােজনীয় আইন কানুনের

যেমন পরিবর্তন ও সংশােধন আবশ্যক তেমনি যুগােপযােগী

আইনের প্রণয়ন ও বাত্মবায়নের জন্য কার্যকরী দিক

নির্দেশনা থাকা আবশ্যক তেমনি যুগােপযােগী আইনের প্রণয়ন ও বাস্ত্মবায়নের জন্য কার্যকরী নিদের্শনা থাকা

আবশ্যক কার্যকরী আইন প্রণয়ন, বাত্মবায়নের কৌশল নির্ধারণ এবং নৈতিকতার বিকাশ সাধনের মাধ্যমে

বাংলাদেশের মতাে রাষ্ট্রের প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও

জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যা||

সহায়ক গ্রন্থপঞ্জি

ক. বাংলাদেশের লােকপ্রশাসন : রাখী বর্মণ

খ. লােকপ্রশাসন পরিচিতি

: রাখী বর্মণ

গ. বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার : প্রফেসর. ইয়াসমিন ও পলস্নীউন্নয়ন।

আহমেদ

ঘ. বাংলাদেশের গ্রামীণ দারিদ্র : কামাল সিদ্দিকী

ঙ. চড়ষরঃরপং ধহফ । |

: অযসবফ ঝধভরতঁষ

অফসরহরংঃৎধঃরড়হ রহ

ঐধয়

ইধহমষধফবংয

চ. ইন্টারনেট

বাংলায় মুসলিম অধিকার প্রতিষ্ঠার ইতিহাস অনুধাবন করতে হলে এদেশে মুসলমানদের আগমনের ধারাটি প্রথম বুঝতে হবে| বাংলায় মুসলমানদের সামরিক সাফল্য প্রতিষ্ঠার পূর্বে মুসলমানদের আগমন ও মুসলিম সমাজ প্রতিষ্ঠা তিনটি পর্বে সংঘটিত হয়েছিল| প্রথম পর্বটির শুরু আট শতক থেকে| এসময় আরব বণিকরা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে চট্টগ্রাম ও নােয়াখালির সমুদ্র তীরে নােঙর ফেলেন| বাণিজ্যিক কারণে

মুসলমান বণিকরা ধীরে ধীরে পশ্চিম ও দক্ষিণ ভারত হয়ে বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশের সমুদ্র তীরাঞ্চলে এসে পৌঁছেছিলেন| এই আরব বণিকরা বাণিজ্যিক কারণে দীর্ঘদিন উপকূলবর্তী অঞ্চলে অবস্থান করেন| এদের কেউ কেউ স্থানীয় রমণী বিয়ে করেন| এভাবে সীমিত আকারে ঐ অঞ্চলে একটি মুসলিম সমাজ প্রতিষ্ঠার সুযােগ সৃষ্টি হয়| অবশ্য এই বণিক শ্রেণির মধ্যে ধর্মপ্রচারের কোনাে উদ্দেশ্য কাজ না করায় এ পর্বে মুসলিম সমাজ বিস্তার তেমন গতি পায়নি| তবে এই বণিক মুসলমানদের রচিত পথ ধরেই একদিন

সুফি সাধকদের আগমণ মুসলিম সমাজ প্রতিষ্ঠার ভিত্তি রচনা এবং তারই ধারাবাহিকতায় তের শতকের শুরুতে বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার পথ প্রস্তুত হয়| দ্বিন্তীয় পর্বে বাংলায় ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে সুফি সাধকদের আগমন ঘটে| এই পবে সময়কাল ১১ থেকে ১৩ শতক| সেন শাসন যুগে তাঁরা খুব নির্বিঘ্নেধর্ম প্রচার করতে পারেন নি| তৃতীয় পবেব্র শুরু ১৩ শতক থেকে| এসময় বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার যাত্রা শুরু হয়|

বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার পেছনে মুসলমান সেনাপতিদের সামরিক কৌশল আর যােগ্যতা যতটা না কাজ করেছিল তার থেকে শতগুণ বেশি ভূমিকা ছিল এদেশের তৎকালীন সমাজ সংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটের| মুসলমান শাসন প্রতিষ্ঠার পূর্বে বাংলার সমাজ সংস্কৃতির প্রকৃত অবস্থা অনুসন্ধানে আমাদের পিছিয়ে যেতে হবে আরাে বেশ কিছুকাল পূর্বে| প্রকৃত অর্থে বাংলার সমাজ ব্যবস্থার ভিত্তি রচিত হয়েছিল হিন্দু-বৌদ্ধ এক মিশ্র সংস্কৃতির সাথে মুসলিম সংস্কৃতির সংস্পর্শ সৃষ্টির মাধ্যমে| ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় দেখা যায় সাত শতকের শুরুতে রাজা শশাঙ্কের বৌদ্ধ দলনের প্রতিবাদে বাংলায় বৌদ্ধরা ক্রমে শক্তিশালী হয়ে ওঠে| উত্তর-পশ্চিম ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় বৌদ্ধরা শক্তি সঞ্চয় করতে করতে এক সময় আট শতকের দিকে রাজ ক্ষমতায় বৌদ্ধ ধর্মীয় পাল শাসকদের উত্থান ঘটে| তবে অনেকটাই উদারনৈতিক পাল শাসকদের প্রশাসনিক দুর্বলতার সুযােগ নিয়ে বাংলার রাজদণ্ডে দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটকের অধিবাসী সেন রাজারা অধিষ্ঠিত হন| বাংলার প্রশাসনিক কাঠামােতে মুসলিম শক্তির অধিষ্ঠান আলােচনা করতে গেলে এই প্রেক্ষাপটটি বােঝা বেশ জরুরী| পাল রাজারা বাংলার মাটির সন্তান ছিলেন| তাঁরা দেশের

Leave a Comment